সোনিয়া নন, এখনও তানিয়াই টুটুলের বৈধ স্ত্রী?
শোবিজ জগতে তাঁরা পরিচিত ছিলেন ‘হ্যাপি কাপল’ নামে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংসার করেছেন। ভক্তদের কাছেও তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা দারুণ। কিন্তু গত বছর দাম্পত্য জীবনের লম্বা পথচলায় ছেদ টানেন তাঁরা।
বিচ্ছেদের ৮ মাস পর আবার বিয়ে করেন কণ্ঠশিল্পী এস আই টুটুল। নতুন করে টুটুলের মনে জায়গা করে নেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী উপস্থাপিকা শারমিন সিরাজ সোনিয়া। কিন্তু গুঞ্জন উঠেছে দুই মাসও টিকেনি সেই সংসার। এরিমধ্যে তাঁরা নাকি আলাদা থাকতেও শুরু করেছেন।
গত ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সোনিয়ার সঙ্গে সংসার পাতেন টুটুল। টুটুলের মতো সোনিয়ারও দ্বিতীয় বিয়ে এটি। সম্প্রতি দেশের একাধিক গণমাধ্যম দাবি করেছে, রেজিস্ট্রি ছাড়াই বাসায় হুজুর ডেকে এনে সোনিয়াকে বিয়ে করেন টুটুল। এরপর কিছুদিন একসঙ্গে থাকলেও হঠাৎ করেই সোনিয়াকে রেখে উধাও হয়ে গেছেন এই গায়ক।
সোনিয়ার একটি ঘনিষ্ট সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, টুটুলের গ্রিনকার্ডের আবেদনে স্ত্রী হিসেবে এখনো রয়েছে তানিয়ার নাম। সেখানে বিচ্ছেদের কোনো কাগজ জমা দেননি টুটুল। তাই আমেরিকায় এখনো টুটুল-সোনিয়া নন, টুটুল-তানিয়াই বৈধ স্বামী-স্ত্রী।
শুধু এখানেই শেষ নয়- অভিযোগ উঠেছে, বিয়ের পর টুটুল স্ত্রী সোনিয়ার কাছে ব্যবসার কথা বলে টাকার জন্য চাপ দিতেন। কিন্তু টাকা দিতে রাজি হননি সোনিয়া। এরপরি ১ আগস্ট কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে চলে যান টুটুল।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে এখনও মুখ খোলেননি টুটুল। তবে দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়ার ভাষ্য, আমেরিকাতে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করতে হলে অনেক নিয়ম-কানুন মানতে হয়। এছাড়া টুটুলের আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ সংক্রান্ত কিছু ঝামেলাও আছে। এ কারণে তাঁরা বিয়ের রেজিস্ট্রি করেননি।
তিনি বলেন, ‘টুটুল হয়তো পরিবারের জন্য কিছু করতে চায়। এ জন্য আমার কাছে টাকা চেয়েছিল। কিন্তু আমি দিতে পারিনি। এ কারণে সে হয়তো নিউইয়র্ক ছেড়ে ফ্লোরিডায় চলে গেছে।’
সোনিয়া আরও বলেন, ‘টুটুল আমাকে বাংলাদেশে নিয়ে যেতে চেয়েছে। আবার ফ্লোরিডাতেও থাকতে বলেছে। কিন্তু আমিতো নিউইয়র্কে ভালো চাকরি করছি। এখানে আমার প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার। আবার আমার ছেলেও আছে। চাইলেইতো আমি কোথাও যেতে পারি না। টুটুলের গ্রিনকার্ড এখনো হয়নি। আবার ওর ছেলেকেও বাংলাদেশ থেকে এখানে আনার চেষ্টা করছে।’
সাদাকালো নিউজ








